আমার দেশ-এর এক মতামতধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগের বার্ষিকীতে ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে তাঁর সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা ভারতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। প্রতিবেদনে দ্য হিন্দুর কূটনৈতিকবিষয়ক সম্পাদক সুহাসিনী হায়দারের এক্স পোস্টের উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি সশরীরে নাকি ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন, তা স্পষ্ট নয়।
প্রতিবেদনটি শেখ হাসিনার শাসন, জুলাইয়ের আন্দোলন এবং ৪ আগস্টের সহিংসতার বর্ণনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ৩ আগস্ট সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের বৈঠকে জুনিয়র কর্মকর্তারা বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে অনিচ্ছার কথা জানান। লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, ৪ আগস্ট পুলিশ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় এবং ছাত্রনেতারা ৫ আগস্টের জন্য মার্চ অন ঢাকা কর্মসূচি এগিয়ে আনেন।
লেখাটিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সংসদীয় বিবৃতির উল্লেখ করে বলা হয়, শেখ হাসিনা ভারতে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন এবং ভারত প্রস্তুতি নিয়েছিল। জুলাইয়ে তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথাও এতে রয়েছে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই যোগাযোগগুলো ভারত ও হাসিনার দীর্ঘ সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য সংবাদ সম্মেলন নিয়ে মতামতভিত্তিক প্রতিবেদন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।