অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুক্রবার জাতীয় সংসদে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, পূর্ববর্তী স্বৈরাচার সরকারের সময় আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি হয়েছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও আমদানি প্রবৃদ্ধি কমে এবং প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ভাতা মূল্যস্ফীতি অনুযায়ী সমন্বয় না করায় অনেক উপকারভোগী অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বাইরে থেকে গেছে। দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেট দুর্নীতির কারণে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকার দক্ষ ঋণ ব্যবস্থাপনা, ঋণনির্ভরতা হ্রাস এবং পুঁজিবাজার সংস্কারে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
গত ১৫ বছরের অনিয়ম তদন্তে বিশেষ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত অর্থনীতিতে রূপান্তর করা হবে।
অর্থমন্ত্রী সংসদে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।