যুক্তরাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত করপোরেট সংস্কার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে যে, রিপোর্টিংয়ের জটিলতা কমানোর উদ্যোগ কর্মী ও বৃহত্তর সমাজের চেয়ে শেয়ারহোল্ডার এবং করপোরেট ব্যবস্থাপনার স্বার্থকে বেশি শক্তিশালী করতে পারে। ১২ সপ্তাহের পরামর্শ প্রক্রিয়ায় কিছু তথ্য প্রকাশের বিধান বাদ দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। আলোচনায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে করপোরেট প্রধানদের বেতন এখন গড় কর্মীর বেতনের প্রায় ১৩০ গুণ।
সবচেয়ে বড় আপত্তি সিইও ও সাধারণ কর্মীদের বেতনের অনুপাত প্রকাশের বাধ্যবাধকতা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে। এই অনুপাতকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ আয়বৈষম্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক বলা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের সিইওরা ইউরোপের সমপর্যায়ের নির্বাহীদের তুলনায় গড়ে ৯৫ শতাংশ বেশি আয় করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। পরিচালকদের পারিশ্রমিক নিয়ে বার্ষিক শেয়ারহোল্ডার ভোট বাতিলের প্রস্তাবও ব্যবস্থাপনার জবাবদিহি কমাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।
এজিএম পুরোপুরি অনলাইনে করার প্রস্তাব নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। সরকারের মতে এতে অংশগ্রহণ বাড়বে, তবে সমালোচকদের মতে ভার্চুয়াল সভায় প্রশ্ন ও বিতর্কের সুযোগ কমে যায়। চলতি বছরের শুরুতে অর্ধেকের বেশি বিপি শেয়ারহোল্ডার অনলাইনভিত্তিক এজিএমের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। লেখাটিতে কর্মীদের বোর্ডে প্রতিনিধিত্ব এবং সব নির্বাহী ও কম বেতনভোগী কর্মীদের পারিশ্রমিক বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা আনার দাবি জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সংস্কার প্রস্তাবে সিইও বেতন প্রকাশ ও করপোরেট জবাবদিহি নিয়ে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।