হেবা বিষয়ে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে বিভ্রান্তিকর বলেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। সংগঠনটির দাবি, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের প্রস্তাবিত নতুন বিধানে হেবা সম্পন্ন না করেও হেবার মতো কার্যকারিতাসম্পন্ন পৃথক সম্পত্তি হস্তান্তরব্যবস্থা তৈরি হতে পারে। যশোরের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, আইন না পড়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে এবং সংশোধনীতে হেবা বা অন্য ধর্মীয় আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধা না থাকার কথা স্পষ্ট করা হয়েছে।
তবে অ্যালায়েন্স বলছে, নতুন ব্যবস্থায় দাতা সম্পত্তি দানের পরও জীবদ্দশায় তার ভোগের অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন। তাদের মতে, মুসলিম আইনে বৈধ হেবার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো কবজা বা দখল হস্তান্তর; হেবা সম্পন্ন হওয়ার পর গ্রহীতাকে সম্পত্তির কার্যকর দখল ও নিয়ন্ত্রণ দিতে হয়। দাতা আজীবন ভোগের অধিকার রাখলে এবং গ্রহীতা কার্যকরভাবে মালিকানা প্রয়োগ করতে না পারলে সেটিকে হেবা বলা যায় না বলে তারা দাবি করেছে।
সংগঠনটি ১২২এ(১) উপধারার অগ্রাধিকারমূলক ভাষা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, দাতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা নির্ধারিত অংশ দাবি করতে না-ও পারেন। এ বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা, বিজ্ঞ মুফতিদের পরামর্শে দ্রুত সংশোধন এবং মুসলিম উত্তরাধিকার ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে অ্যালায়েন্স।
হেবা-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত সম্পত্তি হস্তান্তর বিধানে ব্যাখ্যা ও সংশোধন চেয়েছে ওলামা অ্যালায়েন্স
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।