ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের একাধিক ঘটনায় তদন্ত করছে পুলিশ। প্রতিবেদনে এসব ঘটনার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। উল্লেখিত ঘটনাগুলো সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর রেলস্টেশন, কাফরুল, পল্লবী ও হাইকোর্ট এলাকার আশপাশে ঘটে। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীর একটি বিস্ফোরণ মামলায় বংশাল এলাকার একটি ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক রায়হান উদ্দিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় ডিবি। পুলিশ বলেছে, সিসিটিভি ফুটেজে রায়হানকে শনাক্তের পর একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় এবং পরে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রতিবেদনে ফরিদপুরে একটি বাসে আগুন এবং গাইবান্ধায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের কথাও বলা হয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য এবং কঠোর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারপক্ষের নেতারা বলেছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণ ও বাসে আগুনের ঘটনায় তদন্তে পুলিশ, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ঘিরে অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।