বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা। এক বছর আগে এই অঙ্ক ছিল ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা, অর্থাৎ এক বছরে ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হয়েছে ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ৭ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নির্বাচনি ব্যয়, নতুন ব্যাংকে বিনিয়োগ ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে এই ঋণ নেওয়া হয়। রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
চলতি অর্থবছরের মার্চ শেষে ব্যাংক খাত থেকে মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা, যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। জুন পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণ ছিল ৯ লাখ ৪৯ হাজার ১১ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।