জুলাই বিপ্লবের পর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কিছু পরিবর্তন আনলেও ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বাংলা পাঠ্যবইয়ে বিতর্কিত ও সমালোচিত লেখকদের একাধিক গদ্য-কবিতা রয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত বই পর্যালোচনায় হুমায়ুন আজাদ, শামসুর রাহমান ও সুফিয়া কামালসহ কয়েকজন লেখকের রচনা বারবার অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অপরিচিত লেখকের কবিতাও থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত চারটি বইয়ে হুমায়ুন আজাদের গদ্য আছে। শামসুর রাহমানের কবিতা প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পাঁচটি এবং সুফিয়া কামালের কবিতা ও ছড়া সাতটি শ্রেণিতে রয়েছে। ২০২৫ সালে কয়েকটি লেখা বাদ দেওয়ার পর বড় পুনর্বিন্যাসের প্রত্যাশা তৈরি হলেও ২০২৬ সালের বইয়ে বহু রচনা অপরিবর্তিত রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর লেখক নির্বাচনে সুনির্ধারিত তালিকা বা ছকের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন এবং ‘নিষিদ্ধ’ বা ‘বিতর্কিত’ আখ্যা দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। এনসিটিবির শিক্ষাক্রম উইংয়ের সদস্য প্রফেসর মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর বলেন, পাঠ্যক্রম সংশোধনের কাজ চলছে এবং ২০২৮ সালের বইয়ে বিতর্কিত লেখকদের লেখা বাদ দিয়ে পরিবর্তন আনার আশা রয়েছে।
২০২৮ সালের বইয়ে বিতর্কিত লেখকদের লেখা বাদ দেওয়ার আশা এনসিটিবির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।