বাংলাদেশ সরকার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ভ্যাটনির্ভর রাজস্ব আহরণের পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) থেকে প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মোট সম্ভাব্য রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার বড় অংশ। বাজেটের আকার হতে পারে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের তুলনায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি। দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত পূরণ ও রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০ দশমিক ১৭ শতাংশে উন্নীত করতে ভ্যাট আহরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনায় কর খাত থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে আয়কর ২ লাখ ২২ হাজার কোটি ও শুল্ক ৬৭ হাজার কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যের অর্ধেকেও পৌঁছায়নি, যা কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক অদক্ষতার ইঙ্গিত দেয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ চললেও দ্রুত রাজস্ব বৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে ভ্যাটই প্রধান ভরসা থাকবে।
২০২৬–২৭ বাজেটে ভ্যাট থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্য নির্ধারণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।