নয় শ্রমিকের প্রাণহানির পর সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর ফেরদৌস শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজের বাকি দুই ব্যালাস্ট ট্যাংকেও বিষাক্ত গ্যাস বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ট্যাংক দুটির পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার ল্যাবে পাঠিয়েছে। পরীক্ষার ফল না পাওয়া পর্যন্ত জাহাজটিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহাজের ভারসাম্য রক্ষায় চারটি পার্টিশনের ব্যালাস্ট ট্যাংকে পানি ছিল এবং ধাপে ধাপে পার্টিশন কেটে জাহাজ ভাঙা হচ্ছিল। চার নম্বর পার্টিশন কাটার পর তিন নম্বরটিতে কাজের সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নয় শ্রমিক মারা যান। এক ও দুই নম্বর পার্টিশন অক্ষত আছে। নমুনা সংগ্রহের সময় তিনটি ট্যাংকের তলদেশে ঘন কালো স্লাজও পাওয়া গেছে, যাতে রাসায়নিক উপাদান বা বিষাক্ত গ্যাসের উৎস থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত ১৪ আগস্টের দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঘটনাটি গ্যাস পরীক্ষা, গ্যাসমুক্ত সনদ, ট্যাংকে প্রবেশের আগে নিরাপত্তা যাচাই এবং শ্রমিক সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। শ্রমিকরা ল্যাব পরীক্ষার ফল ও বিশেষজ্ঞদের নিরাপত্তা মূল্যায়ন ছাড়া বাকি ট্যাংকে কাউকে প্রবেশ না করানোর দাবি জানিয়েছেন।
নয় শ্রমিকের মৃত্যুর পর বাকি দুই ট্যাংকের নমুনা পরীক্ষায়, জাহাজে কাজ বন্ধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।