ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ, সৌদি আরবে হুথিদের বাড়তে থাকা হামলা এবং দীর্ঘায়িত ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি নিরাপত্তায় বিকল্প উৎস ও অতিরিক্ত অর্থায়নে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ। জ্বালানি তেল আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন উৎস থেকে এলএনজি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে এক বছরের জন্য ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে নয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।
জিটুজি ব্যবস্থার প্রস্তাবিত এই এলএনজি চুক্তিতে দাম জেকেএম সূচকের চেয়ে প্রতি এমএমবিটিইউতে ০.১০ ডলার কম নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে কার্গোর সংখ্যা কমবেশি করা যাবে। বিপিসি জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির টেন্ডার শেষ হয়েছে। পাশাপাশি নরওয়ে, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া ও আলজেরিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আনার সম্ভাবনা যাচাই চলছে।
৭ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি ৩১০ কোটি ডলারের ঋণসুবিধা অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে বিপিসি জ্বালানি তেল আমদানিতে ২৫০ কোটি ডলার এবং পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানিতে ৬০ কোটি ডলার ব্যবহার করবে। সরকার বলছে, সাত মাসে জ্বালানি ও সার আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৪.১২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ আগামী তিন বছরে বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন চেয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বিকল্প জ্বালানি উৎস ও অর্থায়ন খুঁজছে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।