ইসরাইলি হামলা ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যে গাজার হাজার হাজার কিশোরী বয়ঃসন্ধিকাল পার করছে, কিন্তু মাসিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রয়োজনীয় সামগ্রী, শিক্ষা ও মানসিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে বহু পরিবার ঘর ছেড়ে স্কুল, তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে উঠতে বাধ্য হওয়ায় মেয়েদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ গুরুতরভাবে কমেছে।
গাজা সিটিতে ৪০ জনের বেশি মানুষের সঙ্গে একটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষে থাকার সময় ১২ বছর বয়সি সারার প্রথম মাসিক শুরু হয়। স্যানিটারি সামগ্রী না থাকায় সে আতঙ্কিত হয় এবং দূষিত শৌচাগার এড়াতে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেয়। ১৩ বছর বয়সি সাফিয়াহরও ভিড়ের মধ্যে প্রথম মাসিক শুরু হলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে; তার মা পরিষ্কার কাপড় কেটে সাময়িক ব্যবস্থা করেন।
যুদ্ধ শুরুর পর নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য কর্মসূচি বন্ধ হয়েছে, ফলে শিক্ষা ও মানসিক সহায়তার ঘাটতি বেড়েছে। পরিবারের নারীরা পুরোনো কাপড় পুনর্ব্যবহার, ব্যথানাশক ভাগাভাগি এবং তাঁবুতে সামান্য গোপনীয়তা তৈরির চেষ্টা করছেন। সহায়তাকর্মীরা বলছেন, এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়; প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।
বাস্তুচ্যুত গাজার কিশোরীরা গোপনীয়তা, মাসিক সামগ্রী ও সহায়তার সংকটে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।