তুরস্কের প্রতিরক্ষা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বায়কার তিনটি নতুন কামিকাজে ড্রোন—কে২, সিভ্রিসিনেক ও মিজরাক—উন্নয়ন করেছে, যা ইরানের শাহেদ সিরিজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম। কে২ ড্রোনটি ২০০ কেজি ওজনের গোলাবারুদ বহন করে ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে, সিভ্রিসিনেক ১ হাজার কিলোমিটার পাল্লায় ২০ কেজি ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং মিজরাক ৪০ কেজি পেলোড নিয়ে একই দূরত্বে উড়তে সক্ষম। এই তিনটি ড্রোন স্যাটেলাইট নেভিগেশন ছাড়াই লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে এবং সমন্বিত ঝাঁকবদ্ধ আক্রমণে অংশ নিতে পারে।
তুরস্ক ও ইসরাইলের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের ড্রোন কর্মসূচিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নির্ভুল আঘাত ও আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেখানে তুরস্কের ড্রোনগুলো এসব ক্ষেত্রে অগ্রগামী।
বায়কার এখন এই তিনটি ড্রোনকে সমন্বিত আক্রমণ ব্যবস্থায় একত্রিত করার পরিকল্পনা করছে, যা তুরস্কের স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধ প্রযুক্তিতে নতুন অধ্যায় সূচিত করতে পারে।
ইরানের শাহেদ সিরিজের প্রতিদ্বন্দ্বী তিন কামিকাজে ড্রোন তৈরি করেছে তুরস্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।