পদ্মার পানি বেড়ে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিম্নাঞ্চল ও চর প্লাবিত হয়েছে। ঘরবাড়ি, ফসল ও বসতভিটায় পানি ঢুকে পড়ায় মানুষ পরিবার, গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে নৌকায় নিরাপদ স্থানের খোঁজ করছেন। গত শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজশাহীর বড়কুঠি পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৭.২০ মিটার, যা ১৮.০৫ মিটার বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে। তবু চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন চরের নিচু এলাকা ডুবে গেছে।
চরখিদিরপুরের মিডিল চরে অনেক বাড়ির উঠান ও ঘরের ভেতরে পানি ঢুকেছে। রান্না, গবাদিপশু রাখা ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। শিবগঞ্জের পাঁকা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হিসাবে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি। সেখানে নিরাপদ খাবার পানির সংকটও তীব্র হয়েছে। চরখিদিরপুরের বাসিন্দা রাকিব তাঁর প্রায় ৫০টি গরুর মধ্যে প্রায় ৪০টি নিরাপদ স্থানে সরিয়েছেন।
প্রতিবেদনটি বর্ষার প্লাবনের বিপরীতে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার বিস্তীর্ণ বালুচরে পরিণত হওয়ার চিত্র তুলে ধরেছে। গবেষকদের মতে, উজানের পানি প্রত্যাহার, পলি জমা, প্রবাহব্যবস্থার বাধা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। রাজশাহীর প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ নিয়েও আলোচনা চলছে, তবে পর্যাপ্ত উজানি প্রবাহ ছাড়া শুধু ব্যারাজে স্থায়ী সমাধান হবে না বলে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন।
পদ্মার প্লাবনে চরবাসীর দুর্ভোগ, শুষ্ক মৌসুমে পানিসংকটের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।