এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে অর্থনীতির কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে; জিডিপিতে কৃষির অংশ কমেছে এবং শিল্পের অবদান বেড়েছে। সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আব্দুল মজিদের উপস্থাপিত প্রতিবেদনে ১৯৭২ সালে কৃষির ৪৯.৮ শতাংশ অংশ ২০২৫ সালে ১১.৪২ শতাংশে নামার প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। একই সময়ে শিল্পের অংশ ৯ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ৩৪.০৩ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষির অংশ ১৯৮০ সালে ৪৪.২ শতাংশ, ২০০০ সালে ২৪.১ শতাংশ এবং ২০২০ সালে ১২.৮ শতাংশে নেমেছিল। উৎপাদন শিল্পের অংশ ১৯৭২ সালের ৩.১ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ২১.৮৯ শতাংশে দাঁড়ায়; ২০২৫ সালে তা ৩৭.৬৫ শতাংশ হওয়ার প্রক্ষেপণ রয়েছে। জিডিপিতে অংশ কমলেও কৃষির গুরুত্ব কমেনি, কারণ দেশের বড় অংশের জমি কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয় এবং বিপুল মানুষের জীবিকা এ খাতনির্ভর।
বিশ্লেষণে রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়েছে। ২০২৫ সালে কর-জিডিপি অনুপাত ৬.৬ শতাংশ প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। সীমিত করজাল, কর ফাঁকি, কর অব্যাহতি, আদায়ের জটিলতা, দক্ষ জনবলের ঘাটতি ও অটোমেশনের ধীরগতিকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা, উৎপাদনশীল খাতের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের দুর্বলতা কমানো এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালে কৃষির জিডিপি অংশ ১১.৪২% ও শিল্পের অংশ ৩৪.০৩% হওয়ার প্রক্ষেপণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।