ইরান যুদ্ধ চলাকালে পর্যাপ্ত সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগে কয়েকটি ন্যাটো মিত্র দেশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ই-মেইলে এমন প্রস্তাব ও কৌশলগত রূপরেখা উঠে এসেছে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ই-মেইলে বলা হয়েছে, কিছু দেশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি এবং কেউ কেউ আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেছে। এতে ওয়াশিংটন মিত্রদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ‘অ্যাকসেস, বেসিং অ্যান্ড ওভারফ্লাইট’ সুবিধাকে ন্যাটোর মৌলিক প্রত্যাশা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ই-মেইলে স্পেনকে ন্যাটো থেকে বহিষ্কারের সম্ভাবনা এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রতি মার্কিন নীতির পুনর্বিবেচনার কথাও এসেছে। তবে ন্যাটোর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জোটের প্রতিষ্ঠা চুক্তিতে সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কারের কোনো বিধান নেই। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, তার দেশ জোটের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো অভ্যন্তরীণ ই-মেইলকে নীতি নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে দেখে না। পেন্টাগনের মুখপাত্র জানান, ন্যাটোকে আরও কার্যকর ও দায়িত্বশীল করতে বিভিন্ন বাস্তবসম্মত বিকল্প বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক ন্যাটোর ভেতরে আস্থা ও দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে এবং জোটের ৭৬ বছরের ইতিহাসে নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ন্যাটো মিত্রদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।