উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে পানি বাড়ায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাঙ্গালী ও করতোয়া নদীর ভাঙন তীব্র হয়েছে। ৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নদীর অন্তত ১৪টি পয়েন্টে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি, বসতভিটা এবং মানুষের শেষ আশ্রয় নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে খানপুর, সুঘাট ও খামারকান্দি ইউনিয়ন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; করতোয়া নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ীদহ ও মির্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরেজমিন তথ্য অনুযায়ী, বাঙ্গালী নদীর তীরে বড়ইতলী উত্তরপাড়া, চকখানপুর, দহখানপুর, সুঘাট বাজার, মধ্যভাগ, বিনোদপুর, চকপাহাড়ী বা ঘাসুরীয়া, বিলনোথার ও ঝাঝর উত্তরপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন চলছে। করতোয়া নদীর বিনোদপুর মোহনা ও উত্তরপাড়া, কালশিমাটি স্কুলসংলগ্ন এলাকা, ফুলবাড়ী ঘাটপার এবং কাশিয়াবালার রাস্তা ও মাদ্রাসাসংলগ্ন এলাকাও ঝুঁকিতে রয়েছে।
নদীপাড়ের বাসিন্দারা ভিটেমাটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয় রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা চেয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা স্থায়ী জিও ব্যাগ বা টেকসই ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল জানান, কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে।
শেরপুরে বাঙ্গালী ও করতোয়া নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি, জমি ও স্থাপনা ঝুঁকিতে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।