বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ গত এক বছরে প্রায় ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে এ খাতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২৩ কোটি টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ২৪ হাজার ২৮ কোটি টাকা। একই সময়ে আমানত বেড়েছে ১৮ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং রেমিট্যান্স বিতরণ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ঋণ বিতরণে ব্র্যাক ব্যাংক শীর্ষে রয়েছে ৭২ দশমিক ১২ শতাংশ নিয়ে, এরপর সিটি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।
সহজ প্রক্রিয়ায় ঋণ গ্রহণ, কম সুদহার ও স্থানীয়ভাবে ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার কারণে এ প্রবৃদ্ধি ঘটেছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকরা অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা জমা-উত্তোলন, বিল পরিশোধ ও রেমিট্যান্স গ্রহণসহ প্রায় সব ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছেন। বর্তমানে মোট এজেন্টের প্রায় ৮৪ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থান করছে।
তবে ২০২৫ সালে এজেন্ট ও আউটলেটের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এজেন্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩২৭ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৯৪টি কম। আউটলেটও কমেছে ৭৪৭টি, যা সেবার কাঠামোগত পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং ঋণ ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।