২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ কর্মকার বলেন, বাংলাদেশ এখন প্রযুক্তির এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে পেশাজীবী পর্যন্ত সবাই এআই ব্যবহার করছেন, কিন্তু এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন নন। লেখকের মতে, এআই জ্ঞান সহজলভ্য করলেও অতিনির্ভরতা মানুষের সৃজনশীলতা, নিজস্বতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি নষ্ট করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, যন্ত্র তথ্য সাজাতে পারে, কিন্তু মানুষের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও সামাজিক বাস্তবতা অনুকরণ করতে পারে না। এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষকে নিজের চিন্তা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে, কারণ এআই প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক সময় তথ্য অপব্যবহার করছে। লেখক পরামর্শ দেন, তথ্য যাচাই করে ব্যবহার করা উচিত এবং এআইকে সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করতে হবে, বিকল্প হিসেবে নয়।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, চিন্তার স্বাধীনতা ও মানবিক বুদ্ধিমত্তা রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে সচেতনভাবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতায় নেতৃত্ব দিতে পারে।
বাংলাদেশে এআই নির্ভরতা সৃজনশীলতা ও চিন্তার স্বাধীনতা হ্রাসের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।