যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইরান সামরিক সক্ষমতা জোরদার, পুনর্গঠন ও আধুনিকায়ন করছে বলে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ৫ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়াতে প্রস্তুত থাকার কথাও বলেছে তেহরান। ওমানসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনা চললেও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির কার্যক্রম বন্ধ নেই বলে ইরান জানায়।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া বলেন, জুনে স্বাক্ষরিত ও বর্তমানে স্থগিত থাকা সমঝোতা স্মারকের অধীনে যুদ্ধবিরতির সময়কে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান ও নতুন সরঞ্জাম যুক্ত করা, ক্ষতিগ্রস্ত অস্ত্রব্যবস্থা মেরামত এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে। ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাজিদ এবনে রেজা দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন বন্ধ হয়নি এবং ড্রোন উৎপাদন তিন গুণ হয়েছে।
আইআরজিসি বলেছে, যুদ্ধবিরতিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও লক্ষ্যভেদ ক্ষমতা বেড়েছে, তবে তারা মজুত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সংবাদমাধ্যম গত জুনে জানায়, ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৪০ শতাংশ ড্রোনের মজুত অক্ষত আছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় সমঝোতার সম্ভাবনার কথা যুক্তরাষ্ট্র জানালেও অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক পুনর্গঠন ও অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর দাবি ইরানের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।