মিডল ইস্ট আই–এর প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে ‘আমার দেশ’ জানিয়েছে, পাকিস্তানের পরমাণু বিজ্ঞানী আব্দুল কাদির খান গোপনে ইরানসহ কয়েকটি দেশকে পারমাণবিক প্রযুক্তি সরবরাহ করেছিলেন। পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত খান ইরান, লিবিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে সেন্ট্রিফিউজ নকশা ও যন্ত্রাংশ দেন। ইসরাইলি গোয়েন্দাদের নজরদারির মধ্যেই তিনি পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রতিবেদনটি জানায়, পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচি ১৯৭০-এর দশকে প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টোর উদ্যোগে শুরু হয়, ভারতের ১৯৭৪ সালের পরীক্ষার পর এটিকে জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্ন হিসেবে দেখা হয়। ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান সফলভাবে নিজস্ব বোমা পরীক্ষা করে। ১৯৮৬ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে ইরানকে হাজারো ব্যবহৃত সেন্ট্রিফিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সরবরাহ করা হয়, এবং ইরানি বিজ্ঞানীরা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নেন।
২০০৩ সালে লিবিয়া এই নেটওয়ার্কের তথ্য ফাঁস করলে পুরো কার্যক্রম ভেস্তে যায়। ২০০৪ সালে খান স্বীকার করেন, তিনি ইরান, লিবিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে প্রযুক্তি দিয়েছিলেন, তবে দাবি করেন এটি ছিল তার একক উদ্যোগ। এই ঘটনায় মুসলিম বিশ্বের পারমাণবিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
এ কিউ খানের গোপন নেটওয়ার্কে ইরানসহ দেশগুলোকে পারমাণবিক সহায়তার তথ্য প্রকাশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।