দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে খাবার ও পানি বিতরণের পর মোহাম্মদ জুনায়েদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আটক ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ২৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ ও সমালোচনার পর আইনজীবীদের তৎপরতায় জুনায়েদ এবং তাঁর পুরো পরিবার মুক্তি পেয়েছে। তাঁর আইনজীবী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তির কথা জানান, যা পরিবারের এক সদস্যও নিশ্চিত করেছেন।
জুনায়েদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার রাতে কুকুরের কামড়ের চিকিৎসা শেষে দিল্লির আরএমএল হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে সাধারণ পোশাকের কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে আটক করেন। তাঁরা নিজেদের দিল্লি পুলিশের সদস্য পরিচয় দেন বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নেওয়া, ফোন কেড়ে নেওয়া এবং রাতভর আটকে রাখার অভিযোগও করেন জুনায়েদ। পরে আন্দোলনকারীদের খাবার ও পানির অর্থের উৎস নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জুনায়েদ বলেন, সাধারণ মানুষের অনুদান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো খাবার বিতরণ করা হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা, ভগ্নিপতি ও বোনের শ্বশুরকে আটক করা হয়েছিল এবং নথিপত্র জব্দ করা হয়। তবে মিরাট পুলিশ পরিবারের কাউকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এপিসিআর আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে বেআইনি পদক্ষেপ বন্ধ না হলে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
ভারতে আন্দোলনকারীদের মাঝে খাবার ও পানি বিতরণকারী মোহাম্মদ জুনায়েদ। ছবি: সংগৃহীত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।