ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা প্রায় প্রতিদিনই কথা বলেন। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরান সংঘাত নিয়ে ইসরাইলের সঙ্গে আর পরামর্শ করছে না, যা দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। নেতানিয়াহুর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকায় তার বক্তব্যের পর সম্পর্কের বাস্তব অবস্থা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নেতানিয়াহুর আশ্বাসগুলো সম্পর্কের ভেতরের ফাটল ঢাকতে পারছে না। পরামর্শক দালিয়া শাইন্ডলিন বলেছেন, যুদ্ধটি খারাপভাবে এগোচ্ছে। সাবেক কূটনীতিক অ্যালন পিঙ্কাস জানান, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য রাজি করাতে সক্ষম হন। মার্কিন গোয়েন্দারা ইরানের পাল্টা আঘাতের আশঙ্কা করলেও তা উপেক্ষা করা হয় এবং পরে সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়।
মার্চের শেষ দিকে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর প্রতি হতাশা প্রকাশ করেন এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরাইলকে বাদ দেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সংঘাত উভয় নেতার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করেছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক প্রভাব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।