জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী ঘনিয়ে এলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি বা স্মরণ অনুষ্ঠান। যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় আন্দোলনের সূতিকাগার ছিল, সেখানে এখন নেই কোনো ব্যানার, প্রদর্শনী বা সাংস্কৃতিক আয়োজন। সংরক্ষণের অভাবে আন্দোলনের দেয়ালচিত্র ও গ্রাফিতিগুলো বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। নারী শিক্ষার্থী দিবস, জুলাই শহীদ দিবস ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবসও এবার কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই পেরিয়ে গেছে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা নিত্রা প্রশাসনের উদ্যোগহীনতাকে অদূরদর্শী বলেছেন। সাবেক উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান পূর্বের গবেষণা উদ্যোগের কথা স্মরণ করে নতুন গবেষণার আহ্বান জানান। আহত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের ফি মওকুফের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তবে উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। ৫ আগস্ট একটি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ স্থাপন এবং ১৪ জুলাই নারী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে নীরব ঢাবি, ৫ আগস্ট স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।