ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হতে যাওয়া সমঝোতা স্মারককে পিছু হটা নয়, বরং প্রতিরোধ ও বিজয়ের ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা দেশটিতে কট্টরপন্থি অংশ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে বিভক্ত মত দেখা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ চুক্তিটিকে সম্ভাব্য রূপান্তরকারী ও চূড়ান্ত বিজয়ের পথে পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সরকারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তবে কিছু সংসদ সদস্য এই খসড়া চুক্তিকে মার্কিন প্রভাবের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন। যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে তেহরান আলোচনায় বাধ্য হয়েছে। চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশিত হয়নি, এবং শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জনমত বিভক্ত—কেউ কেউ চুক্তিকে স্বস্তির সুযোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সরকারের বিজয় বর্ণনায় আস্থা রাখছেন না। চুক্তির স্থায়িত্ব অনেকাংশে নির্ভর করবে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও ইসরায়েলের লেবানন নীতির ওপর।
অর্থনৈতিক চাপ ও বিভাজনের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিকে বিজয় বলছে ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।