একটি রাজনৈতিক কলামে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা কমিয়ে সহনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখক বলেছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারে এবং জামায়াত ১১-দলীয় জোটের নেতৃত্বে বিরোধী রাজনীতি করায় তারা কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বী। আগের মতো ঐক্যে ফেরা কঠিন হলেও রাজনৈতিক সহাবস্থান বাস্তবসম্মত বলে তিনি মনে করেন।
কলামটিতে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী মতপার্থক্য, কটূক্তি ও পারস্পরিক সন্দেহকে বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কের অবনতির কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখক ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি ও তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তাঁর আগের প্রস্তাবের কথাও বলেছেন। তাঁর দাবি, জামায়াতের আমির প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে নিলেও বিএনপি নেতৃত্ব সন্দেহ করেছিলেন যে জামায়াত তাঁকে পাঠিয়েছে। রাজনৈতিক সংকট মীমাংসায় গ্রহণযোগ্য নাগরিক চাপগোষ্ঠীর অভাবেরও সমালোচনা করা হয়েছে।
লেখক চারটি পরামর্শ দিয়েছেন: ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ করা, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে যৌথ সংলাপ শুরু করা, স্থানীয় সংঘর্ষ ঠেকাতে যৌথ সংঘাত নিরসন কমিটি গঠন করা এবং শত্রুতার বদলে নীতিগত প্রতিযোগিতা করা। অর্থনীতি, দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি, শিক্ষা, দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সংসদ ও গণমাধ্যমে প্রতিযোগিতার কথাও বলা হয়েছে।
বিএনপি-জামায়াতকে শত্রুতার বদলে সংলাপ ও নীতিগত প্রতিযোগিতার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।