সোমবার বাংলাদেশে পালিত হয়েছে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২৬। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘খাদ্য নিশ্চিত করি সুস্থ সবল জীবন গড়ি’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংস্থাটি জানায়, নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই দিবসের মূল লক্ষ্য। তবে সংস্থাটি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে পারছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিএফএসএ চেয়ারম্যান জাকারিয়া স্বীকার করেছেন যে খাবারে ট্রান্সফ্যাটের মাত্রা বেড়েছে এবং তা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ট্রান্সফ্যাটজনিত হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ শীর্ষ ১৫ দেশের একটি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ট্রান্সফ্যাট, অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও টেস্টিং সল্ট হৃদরোগ, কিডনি বিকল ও ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সমীক্ষায় চিপস, নুডুলস, পপকর্ন ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ে অতিমাত্রায় টেস্টিং সল্ট পাওয়া গেছে। সরকার মোড়কজাত খাদ্যে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাটের তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও অনেক ব্যবসায়ী এখনো তা মানছেন না।
চিকিৎসক ও গবেষকরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে মানুষ খাবারের নামে বিষ গ্রহণ থেকে রক্ষা পায় এবং অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে।
ট্রান্সফ্যাট ও ক্ষতিকর উপাদানে উদ্বেগের মধ্যে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।