বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ২৩টি ব্যাংকের সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা, যা জুন শেষে ছিল এক লাখ ৫৫ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ বেড়ে ছয় লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় পৌঁছায় এবং প্রয়োজনীয় প্রভিশন রাখতে না পারায় প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়ায় তিন লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংক খাতের মূলধন ঝুঁকিজনিত সম্পদের অনুপাত (সিআরএআর) ঋণাত্মক ২ দশমিক ৯০ শতাংশে নেমে আসে, যেখানে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ন্যূনতম ১০ শতাংশ থাকা উচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের ঘাটতি ৩৭ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা, বেসরকারি নয় ব্যাংকের ৩৬ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা, ইসলামি আট ব্যাংকের এক লাখ ৭৫ হাজার ৮২২ কোটি টাকা এবং দুই বিশেষায়িত ব্যাংকের ৩২ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ঘাটতি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৬৫ হাজার ৯০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, খেলাপি ঋণ বাড়ায় প্রভিশন ঘাটতিও বেড়েছে এবং মুনাফা কম থাকায় ব্যাংকগুলো মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ২৩ ব্যাংক ছাড়া দেশের অন্যান্য ব্যাংকের মূলধনে কোনো ঘাটতি নেই।
খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিতে ২৩ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দুই লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।