কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের সিরাজনগর বিল অবৈধ দখল, বালু ফেলে ভরাট, মাছের ঘের এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের অভিযোগে সংকটে পড়েছে। রাজউকের ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানে বিলটি ‘ফ্লাড ফ্লো জোন’ ও ‘ওয়াটার রিটেনশন এরিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত। বর্ষায় এটি ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশের অতিরিক্ত পানি ধারণ করে এবং শীতে পানি নেমে গেলে স্থানীয়রা পলিযুক্ত জমিতে ধান ও শাকসবজি চাষ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলা ও মাটির রাস্তা তৈরির কারণে প্রাকৃতিক খাল-নালার পথ সংকুচিত বা বন্ধ হচ্ছে। এতে বর্ষায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি মাছের স্বাভাবিক চলাচল, প্রজনন ও কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অ্যাকশন কিটে বিল ও আশপাশের নিম্নাঞ্চলকে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখির বিচরণক্ষেত্র বলা হয়েছে; বালুভরাট, যান্ত্রিক নৌকার শব্দ ও পর্যটকদের দূষণকে পাখির আবাসের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অবৈধ ভরাট বন্ধে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও রাজউকের কাছে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার ভরাট বন্ধ, ২০০০ সালের জলাধার সংরক্ষণ আইনের প্রয়োগ, ভরাট অংশ অপসারণ ও সমন্বিত নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন।
বালুভরাটে সিরাজনগর বিলের পানি ধারণ, কৃষি ও পাখির আবাস হুমকিতে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।