ভারতের অতিধনী ব্যক্তিদের মধ্যে বিদেশে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। আগে ব্যবসা সম্প্রসারণ বা সন্তানদের উচ্চশিক্ষাই বিদেশে যাওয়ার প্রধান কারণ ছিল, কিন্তু এখন তা দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হয়ে উঠছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিনিয়োগ অভিবাসনবিষয়ক উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান মাইআরসিবিআই ডটকমের তথ্য উদ্ধৃত করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিভিন্ন দেশের করনীতির পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা সচ্ছল ভারতীয় পরিবারগুলোকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে। প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ধনঞ্জয় সিংহ চুডাসামা বলেন, বিনিয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন এখন অবাধ চলাচল, পরবর্তী প্রজন্মের আন্তর্জাতিক সুযোগ এবং পরিস্থিতি বদলালে বাস্তবসম্মত ‘প্ল্যান বি’ নিশ্চিত করার কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১০০ কোটি রুপির বেশি মূল্যমানের ব্যবসার উদ্যোক্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এবং কোটি রুপির বেশি বেতন পাওয়া করপোরেট নির্বাহীরা মূলত আবেদন করছেন। যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল, গ্রিস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ তাদের আগ্রহের কেন্দ্র। মাইআরসিবিআই ডটকম আগামী দুই থেকে তিন বছরে চাহিদা উল্লেখযোগ্য বাড়ার ধারণা করছে; মহারাষ্ট্রের পর গুজরাট গুরুত্বপূর্ণ বাজার হয়ে উঠছে।
চলাচল, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বিদেশি নাগরিকত্বে আগ্রহী ভারতের ধনীরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।