মে ২০২৫ সালের ভারত-পাকিস্তান সামরিক সংঘাত নিয়ে ভারতের নতুন একটি ডকুমেন্টারিকে তথ্যগতভাবে ভুল বলে প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর অভিযোগ করেছে যে ডকুমেন্টারিটি অপারেশনাল ফলাফল ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান এই যুদ্ধকে ‘মারকা-ই-হক’ নামে অভিহিত করে।
আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, বলিউডধর্মী সিনেমাটিক পুনর্নির্মাণ ও বাছাই করা সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ঘটনাগুলোকে অন্যভাবে দেখানো হয়েছে। তারা ১৬ এপ্রিল ২০২৫ সেনাপ্রধানের একটি বক্তব্যের সঙ্গে ২২ এপ্রিলের পাহালগাম হামলার যোগসূত্র স্থাপনের ভারতীয় প্রচেষ্টাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পাকিস্তান আরও বলেছে, ৭ মে প্রতিশোধমূলক অপারেশন সিন্দুরের দাবি এবং ২৮ জুলাই কথিত হামলাকারীদের নির্মূলের ঘোষণার মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।
ভারতের শতভাগ মিশন সফলতার দাবিও নাকচ করেছে আইএসপিআর। তাদের দাবি, পাকিস্তানি বাহিনী সীমান্তপারের অভিযান প্রতিহত করে ভারতের আটটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে এবং পরবর্তী পাল্টা অভিযানে ভারতের ২৬টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে। আইএসপিআর বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ডিজিএমও পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগে লড়াই বন্ধ হয়। ভবিষ্যৎ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় জবাবের সতর্কতাও দিয়েছে তারা।
অপারেশন সিন্দুর নিয়ে ভারতীয় ডকুমেন্টারির দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।