ইসরাইলে মঙ্গলবার পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলা এবং গাজায় পরবর্তী যুদ্ধ শুরুর পর এটি দেশটির প্রথম নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিরোধী জোট। ১২০ আসনের নেসেটে প্রতিনিধিত্ব পেতে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট প্রয়োজন এবং সরকার গঠনে দরকার ৬১টি আসন।
নতুন জরিপ প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগে প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপে বিরোধী জোটের জন্য ৫২টি এবং নেতানিয়াহুর জোটের জন্য ৫০টি আসনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়। উভয় জোটই আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ফলে জটিল দর-কষাকষি, সংখ্যালঘু সরকার বা আবার নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যর্থতার জবাবদিহি, অতি-অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক ছাড়, বিচার সংস্কার, যুদ্ধক্লান্তি, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক অবস্থান প্রধান ইস্যু।
ভোট দেওয়ার যোগ্য প্রায় ৭৩ লাখ ইসরাইলি নাগরিকের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক। জরিপ অনুযায়ী, তাঁদের ভোটদানের হার ৬০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে; ৬৫ শতাংশ হলে আরব দলগুলো ১৫টি পর্যন্ত আসন পেতে পারে। সর্বোচ্চ আদালত জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আমকে নির্বাচনে বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে।
জোটের অচলাবস্থা ও ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোটে নির্ধারিত হতে পারে ইসরাইলের নির্বাচন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।