ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একটি আদালত দুই নারীকে, যার মধ্যে একজন ইসরাইলি পর্যটক, গণধর্ষণ এবং এক স্থানীয় যুবককে হত্যার দায়ে তিন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালত এই রায় ঘোষণা করে। ঘটনাটি ঘটে গত বছরের মার্চ মাসে কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলায়, যেখানে পাঁচজন পর্যটক হামলার শিকার হন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ছিলেন মহারাষ্ট্র ও ওড়িশা থেকে আসা দুই ভারতীয় নাগরিক, একজন আমেরিকান পর্যটক, একজন ইসরাইলি পর্যটক এবং স্থানীয় এক হোমস্টের মালিক।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোমস্টের মালিক পর্যটকদের নিয়ে ঘুরতে বের হলে তিন অভিযুক্ত—মল্লেশ (হান্দিমল্লা), সাইকুমার ও শরনবাসভারাজ—মোটরসাইকেলে এসে তাদের পথ রোধ করে। ‘আর্থিক বিরোধ’ নিয়ে শুরু হওয়া বাকবিতণ্ডা দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযুক্তরা তিন পুরুষ সদস্যকে খালে ফেলে দেয় এবং দুই নারীকে গণধর্ষণ করে। পাথর নিক্ষেপে একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন, আরেকজন খালে ডুবে মারা যান।
আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ডাকাতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত বলে রায় দেয়। বিচারক সাদানন্দ নাগাপ্পা নাইক ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ ধারায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে আজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
কর্ণাটকে পর্যটক ধর্ষণ ও হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।