প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে শুদ্ধি ও পুনর্বিন্যাস কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২৭ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ২০১৮ সালের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ৩২ জন সাবেক জেলা প্রশাসক, বর্তমানে যুগ্ম সচিব, বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিতর্কিত ভূমিকা পালনকারী কর্মকর্তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার উদ্যোগ চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৮ সালের নির্বাচনী দায়িত্বকে ওই অবসরের কারণ বলেনি। সরকারি চাকরির বিধান অনুযায়ী ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হলে জনস্বার্থে কারণ দর্শানো ছাড়াই অবসর দেওয়া যায়। তিনি ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এবং নির্বাচনি অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ফৌজদারি ব্যবস্থার কথা বলেন।
পুলিশে ২৩ জুলাই ১৭ জন এবং জুনে ৩৩ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়; বর্তমান সরকারের পাঁচ মাসে এ সংখ্যা ৮০। সরকারের ভাষ্য, পেশাদার, নিরপেক্ষ ও জনগণমুখী বাহিনী গড়াই এর উদ্দেশ্য। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় সুবিধাপ্রাপ্ত বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও তদন্তও চলমান।
সরকার প্রশাসন ও পুলিশে বাধ্যতামূলক অবসরসহ সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।