১৭ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি প্রাথমিক চুক্তি করেন। এতে হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া এবং ইরানকে তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই প্রণালির কাছে তিনটি জাহাজে হামলার পর ট্রাম্প ইরানের তেল বিক্রির অনুমতি বাতিল করেন এবং ইরানের ১৭০টিরও বেশি সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালান। এরপর থেকে নতুন কোনো আলোচনার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।
ট্রাম্পের সামরিক ও কূটনৈতিক দুই পরিকল্পনাই ব্যর্থ হয়েছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্র আবার নিষেধাজ্ঞা ও হামলার নীতিতে ফিরেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভবিষ্যতে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তবে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন—আগের ব্যর্থ কৌশল এবার কতটা কার্যকর হবে। সাবেক কূটনীতিক রিচার্ড হাস বলেছেন, এখন কোনো কার্যকর কৌশল দেখা যাচ্ছে না।
ইরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভক্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ এখনো অমীমাংসিত, ফলে ভবিষ্যৎ আলোচনার সম্ভাবনা অনিশ্চিত।
ইরান চুক্তি ভেঙে হামলা ও নিষেধাজ্ঞা, ভবিষ্যৎ আলোচনার অনিশ্চয়তা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।