রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সার্জেন্ট ও নীলফামারী জেলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম রিপনের বিরুদ্ধে একটি মামলা ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর তথ্যমতে, ২৯ মে নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানি গ্রামের বেড়াডাঙ্গা এলাকায় জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন নিয়ে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে ঝগড়া বাধে। এতে বদরুল আলম রিপনের চাচা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী লাঠি নিয়ে ভাতিজা সিরাজ উদ্দৌলা চৌধুরীকে মারতে গিয়ে নিজেই পড়ে মারা যান। পরে পুলিশ নিহতের আরেক চাচাতো ভাই সাইফুল চৌধুরীকে আটক করে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
সদর থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসআই সজল বসাক বলেন, আসামিকে প্রকাশ্য আদালতে হাজির করে রিমান্ড নেওয়া হয়েছে এবং তিনি নিহতের ভাতিজাকে চেনেন না। বদরুল আলম রিপন দাবি করেন, তিনি কোনোভাবে মামলাকে প্রভাবিত করছেন না এবং বিচার ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে।
রংপুর সার্জেন্ট বদরুল আলম রিপনের মামলায় ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।