স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্টে’ বিশেষজ্ঞ ও আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়। ১২টি বিশেষজ্ঞ পদের বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয় এবং নিয়োগপ্রাপ্তরা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যোগ দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত তিনজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা টিওআরের সঙ্গে মিলছে না; চারজনের প্রত্যেকের মাসিক বেতন ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
প্রতিবেদনের অভিযোগ, অনুমোদিত ডিপিপির শর্ত পরিবর্তন করা হয় এবং আমিনুল ইসলাম, এনামুল হক ও ড. মহঃ শের আলী আনুষ্ঠানিক নিয়োগের আগেই টিওআর খসড়া, মূল্যায়ন কমিটি গঠন ও বাছাই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। আমিনুল, বিল্লাল হোসেন, শের আলী ও এনামুল অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ার দাবি করেছেন। সাবেক প্রকল্প পরিচালক মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের প্রয়োজন বিবেচনায় বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ ও অনুমোদনে টিওআর পরিবর্তন করা হয়।
আলাদাভাবে ২৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার আউটসোর্সিং চুক্তিতে ২৪০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রস্তাবিত ডেঙ্গু গবেষণাগারের জন্য ১৮৬টি পদ। ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভবন নির্মাণের দরপত্র খোলা হলেও এখনো কার্যাদেশ হয়নি এবং যন্ত্রপাতি ও আসবাবের জন্য দরপত্রও আহ্বান করা হয়নি।
বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত জনস্বাস্থ্য প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।