২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার পর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে, যা দিনের শুরুতে ৯৮ ডলারের উপরে ছিল। মার্কিন মানদণ্ড নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুডের দামও একইভাবে হ্রাস পায়।
সংঘাত শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে, যা মার্চের শুরুতে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়ে মাসের শেষে ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল। ইরানের ঘোষণার পর বাজারে সেই ঊর্ধ্বগতি কিছুটা প্রশমিত হয় এবং জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরে আসে।
এই খবরে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। প্যারিসের সিএসি ও ফ্রাঙ্কফুর্টের ডিএএক্স সূচক দুই শতাংশের বেশি বেড়ে যায়, লন্ডনের এফটিএসই সূচকেও সামান্য বৃদ্ধি দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে ডাও জোনস ১.৩ শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি ০.৭ শতাংশ বেড়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ায়।
ইরানের ঘোষণায় তেলের দাম কমে, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে উত্থান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।