২০২৬ সালের ১৪ জুলাই প্রকাশিত *আমার দেশ* পত্রিকার এক প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেট এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর নির্দেশ অমান্য করে মেজর জিয়া প্রথম প্রতিরোধের সূচনা করেন। পরবর্তীতে এই স্থানটি ‘বিপ্লব উদ্যান’ নামে পরিচিত হয়, যা আজও স্বাধীনতার প্রথম স্ফুলিঙ্গের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত, যদিও রাজনৈতিক পালাবদলে এটি অবহেলিত হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও উল্লেখ করে, কর্ণফুলী নদীর তীরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়ার কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারিত হয়েছিল এবং ২০০৬ সালে সেখানে নির্মিত হয় ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তার শাহাদতের পর ভবনটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। এছাড়া রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে তার প্রথম সমাধিস্থল ও পরবর্তীতে নির্মিত কমপ্লেক্স আজও অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে জানায়, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও নাম মুছে ফেলার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের হৃদয়ে শহীদ জিয়ার স্মৃতি আজও অম্লান।
চট্টগ্রামে শহীদ জিয়ার প্রতিরোধ ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে নতুন প্রতিবেদন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।