কক্সবাজারের রামুতে ঘোষণা দিয়ে মোটরসাইকেল শোডাউন ও মিছিলের অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আরও ৩০ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। রামু থানার উপপরিদর্শক মুহাম্মদ নূরুল আবছার সোমবার মামলাটি দায়ের করেন। এজাহার অনুযায়ী, ২৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জোয়ারিয়ানালার পূর্ব মুরাপাড়ার জমজম ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কে এ কর্মসূচি হয়।
পুলিশের অভিযোগ, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাদ্দাম হোসেনের নির্দেশে এবং রামু উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক উদ্দিন মিশুক ও এরশাদুল কাউসার সাকিবের নেতৃত্বে শোডাউন ও মিছিলটি হয়। অংশগ্রহণকারীরা শেখ হাসিনার ছবি ও ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা ব্যানার, ফেস্টুন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম চালানোর চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, দুপুর ১২টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মিছিলকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান এবং ব্যানার, ১৩টি কাঠের লাঠি ও ১৯টি ইটের টুকরা ফেলে যান। স্থানীয় তিন সাক্ষীর উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা তৈরি করা হয়। আশপাশের লোকজনের তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং অজ্ঞাত আসামিদের পরিচয় শনাক্তে অভিযান চলছে।
রামুতে বাইক শোডাউনের অভিযোগে ৭১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।