তুরস্ক, সিরিয়া ও ইরাকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম কমে আসায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পিকেকে ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর বিলুপ্তি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তাদের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে এ পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তুরস্কের ‘সন্ত্রাসমুক্ত তুরস্ক’ উদ্যোগ সীমানা ছাড়িয়ে ‘সন্ত্রাসমুক্ত অঞ্চল’ গঠনের ধারণায় রূপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ায় পিকেকেসংশ্লিষ্ট ওয়াইপিজি সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর নিজেদের বিলুপ্তি ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় একীভূত হওয়ার ঘোষণা দেয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, সিরিয়ার জাতীয় সেনাবাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে পরাজিত করে বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা বলেন, কুর্দিরা অন্য নাগরিকদের মতো সমান অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করবে। ফেরহাত আবদি শাহিনকে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা করার খবরও এসেছে।
তুরস্কের পার্লামেন্ট সন্ত্রাসবিরোধী কাঠামো আইন অনুমোদন করেছে এবং প্রক্রিয়া তদারকিতে বিশেষ কমিশন গঠন করেছে; এর প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদেত ইলমাজ। ইরাক আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র ত্যাগ, আত্মসমর্পণ অথবা জাতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্ত হুমকি কমলে তুরস্কের সিরিয়া ও ইরাক সীমান্তে অতিরিক্ত সামরিক তৎপরতা কমতে পারে।
পিকেকে-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর একীভূতকরণে তুরস্ক, সিরিয়া ও ইরাকে স্থিতিশীলতার আশা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।