নিখোঁজের পর তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্ত করছে পুলিশ। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তিনি উত্তরার বাসা থেকে বের হন। পরিবারকে তিনি বলেছিলেন, শাহরিয়ার রেজা দ্বীপের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। পরে বুধবার বিকেলে টঙ্গী নৌ পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; পুলিশ বলেছে, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
তদন্তকারীরা সাউরির সঙ্গে দ্বীপের শেষ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার গতিবিধি, টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যাওয়ার কারণ, তাদের আলাদা হওয়ার সময় ও পদ্ধতি এবং দ্বীপ কেন দ্রুত পরিবার বা পুলিশকে জানাননি, সেসব বিষয় যাচাই করছেন। নৌ পুলিশ, পিবিআই ও গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে রয়েছে। সাউরি ও দ্বীপের কল রেকর্ড, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও দ্বীপের বক্তব্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
দ্বীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাজার বস্তি এলাকা থেকে সাউরির পরিত্যক্ত ও নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পিবিআই। সিসিটিভিতে ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে দুজনকে পৃথক মোটরসাইকেলে গ্যারেজ ছেড়ে যেতে দেখা যায়। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত মামলা হয়নি। সুরতহাল প্রতিবেদনে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার কথা বলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ।
তুরাগে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত করছে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।