ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমোদনের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের অজান্তে সামনে আসার পর আমদানি তালিকা থেকে ইলিশ বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। বিষয়টি জানার পর মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি স্থগিত করা হয় এবং অনুমোদন কীভাবে দেওয়া হয়েছিল, তা জানতে মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বাংলাদেশে হয়। দেশের চাহিদার কারণে সরকার ২০১২ সাল থেকে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে। পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে এক মাসের জন্য বিশেষ রপ্তানি অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ বছরও ভারতে ইলিশ পাঠানোর অনুমতি চেয়ে দেশটির ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমদানি পণ্যের তালিকায় এখনো ইলিশের নাম আছে, তবে দেশের স্বার্থ ও অভ্যন্তরীণ বাজার সুরক্ষায় ভারত থেকে আমদানি আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জটিলতা এড়াতে তালিকা থেকে ইলিশের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
ভারত থেকে ইলিশ আমদানি স্থগিত, আমদানি তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।