২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি, পরিকল্পনার অভাব ও অপচয় ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কর্ণফুলী টানেল, পদ্মা সেতু, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সহ আটটি বড় প্রকল্পে প্রাথমিক ব্যয়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র কমিটি ও টাস্কফোর্স দুর্বল পরিকল্পনা, বাস্তবায়নে বিলম্ব ও দুর্নীতিকে ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্ণফুলী টানেল প্রত্যাশিত গাড়ি চলাচল না পাওয়ায় প্রতিদিন লোকসান গুনছে এবং জনগণের কাছে এটি ব্যয়বহুল ‘সাদা হাতি’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। ৯৫ শতাংশ প্রকল্প বৈদেশিক ঋণে বাস্তবায়িত হওয়ায় ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। রেল খাতে বিপুল বিনিয়োগের পরও লোকসান অব্যাহত রয়েছে এবং ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বিআরটি ও লালখান বাজার-বিমানবন্দর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো প্রকল্পগুলো অসমাপ্ত থেকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত ব্যয়, দুর্বল নকশা ও সময়ক্ষেপণ এসব প্রকল্পকে জনগণের জন্য বোঝায় পরিণত করেছে।
বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পে দুর্নীতি ও লোকসানের অভিযোগে প্রতিবেদন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।