বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ডের জন্য আবেদন প্রক্রিয়ার সময় কিছু তথ্য সাময়িকভাবে ওয়েবসাইটে দৃশ্যমান ছিল, তবে তা ডাউনলোড করা যায়নি। শনিবার অভিযোগ ওঠার পর ইসি ব্যাখ্যা দেয় যে, ওয়েবসাইটে কাজ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে, এটি কোনো হ্যাকিং বা তথ্য চুরির ফল নয়।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির পর বৃহস্পতিবার আবেদনপত্রের অংশটি বন্ধ করা হয় এবং শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনপথও বন্ধ করা হচ্ছিল। কিছু নিবন্ধিত ব্যবহারকারী লগইন করলে সাময়িকভাবে অ্যাডমিন প্যানেল দেখতে পেয়েছিলেন, যা তথ্য ফাঁসের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, কোনো বাইরের ব্যক্তি তথ্য ব্যবহার বা অপব্যবহার করেননি।
ইসি সম্প্রতি pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটটি তৈরি করে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করেছিল। তবে তথ্য সরবরাহজনিত জটিলতার কারণে কমিশন আবারও ম্যানুয়াল আবেদন প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের আগে কার্যকর হবে।
ইসি জানায়, সাংবাদিকদের তথ্য সাময়িকভাবে দৃশ্যমান ছিল, ফাঁস বা ডাউনলোড হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।