প্রায় ২০ মাস আত্মগোপনে থাকার পর গত মঙ্গলবার ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন। তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত ডিবির রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, যেখানে তিনি কিছু তথ্য প্রকাশ করেন এবং কিছু গোপন রাখেন।
জিজ্ঞাসাবাদে শিরীন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি সেনা হেফাজতে আশ্রয় নেন এবং পরে গ্রেপ্তার এড়াতে চারটি বাসা পরিবর্তন করেন। সর্বশেষ ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্বীকার করেন যে, আওয়ামী লীগের কয়েকজন মধ্যম সারির নেতার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল, তবে ‘রিফর্মড’ আওয়ামী লীগ গঠনে তিনি জড়িত ছিলেন না। তিনি দাবি করেন, প্রবাসে থাকা সাবেক মন্ত্রী হাসান মাহমুদ ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাকে প্ররোচনা দিলেও তিনি সাড়া দেননি।
ডিবি জানিয়েছে, শিরীনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছে, এই নিষিদ্ধ দলটি সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকতে পারে এবং তদন্তের স্বার্থে আবারও রিমান্ড আবেদন করা হবে।
২০ মাস আত্মগোপনের পর সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন গ্রেপ্তার, আদালতের আদেশে কারাগারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।