উত্তর ফ্রান্সের লঁস শহরে স্কুলের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অগুস্ত বেহাল উচ্চবিদ্যালয়ের কাছে ঘটনাটি ঘটে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তার জীবন ঝুঁকিতে নেই। শিক্ষক সংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, দীর্ঘ স্কুল-সময়সূচি ও জরাজীর্ণ অবকাঠামোর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।
পুলিশ ইউনিয়নের একটি সূত্র বলেছে, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ছোড়া স্টিং-বল গ্রেনেডটি কিশোর পুলিশকে লক্ষ্য করে ফেরত ছুড়তে গেলে বিস্ফোরিত হয়। তবে লা ভোয়া দ্য নোর পত্রিকার উদ্ধৃত এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, সে গ্রেনেডটি তোলেনি। ফলে ঘটনার সঠিক পরিস্থিতি তদন্তাধীন। প্রিফেক্ট ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের লোশ বলেন, ওই সময় ১৫০ থেকে ২০০ বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু ছুড়ছিল। তুর শহরে রাবার বুলেটের আঘাতে আরেক ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগও তদন্ত হচ্ছে।
সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়েছে। সোমবার ৪০০ থেকে ৫০০টি উচ্চবিদ্যালয় পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নো শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য বলে স্বীকার করে বিকল্প শিক্ষক, স্কুলের সময়সূচি ও ভবন সংস্কার নিয়ে মাসের শেষ নাগাদ প্রস্তাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
লঁসে বিক্ষোভে গ্রেনেড বিস্ফোরণে কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন, দেশজুড়ে আন্দোলন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।