আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের চাহিদা দ্রুত বাড়লেও নতুন সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগের বিষয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় বাংলাদেশের ইন্টারনেট খাত বড় অবকাঠামোগত সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। সোমবার ঢাকার অদূরে টেলিকম ও টেকনোলজি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক কর্মশালায় তারা এ উদ্বেগ জানান। কর্মশালার বিষয় ছিল ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইথ চাহিদা পূরণে নতুন সাবমেরিন ক্যাবলের প্রয়োজনীয়তা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ব্যবহার ২০১৩ সালের ৫০ জিবিপিএস থেকে ২০২৬ সালে প্রায় ১৩ দশমিক ৫ টেরাবিটে পৌঁছেছে, যা ১৩ বছরে প্রায় ২৬০ গুণ বৃদ্ধি। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালে চাহিদা ১৯ দশমিক ১ টেরাবিট, ২০৩০ সালে ৫৪ টেরাবিট এবং ২০৩৬ সালে ৪৩২ টেরাবিটে উঠতে পারে। ভিডিও স্ট্রিমিং, ক্লাউড, ডেটা সেন্টার, এআই, অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল পেমেন্ট ও শিল্প খাতের ডিজিটালাইজেশন এ চাহিদা বাড়াতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশ মূলত দুটি সরকারি সাবমেরিন ক্যাবল, সি-মি-উই-৪ ও সি-মি-উই-৫-এর ওপর নির্ভরশীল; এগুলোর সক্ষমতা যথাক্রমে ৪ দশমিক ৬ ও ২ দশমিক ৫ টেরাবিট। অবশিষ্ট ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে আমদানি করা হয়। মেটাকোর সাবকমের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম বলেন, বেসরকারি ক্যাবল সংযোগে ইন্টারনেটের দাম কমতে এবং সেবার মান বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যাবল পরিকল্পনা থেকে চালু করতে কয়েক বছর লাগে।
নতুন ক্যাবল সিদ্ধান্তে বিলম্বে বাড়তে থাকা ব্যান্ডউইথ চাহিদা নিয়ে শঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।