কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পীর শ্রী শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা খাজা আহমেদ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ দৌলতপুর শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েতুল কবির তাদের আত্মসমর্পণের পর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর আগে ১৯ মে হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়া দুই আসামির জামিনের মেয়াদ ২৯ জুন শেষ হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১১ এপ্রিল দৌলতপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগরে কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে শতাধিক লোক কথিত পীরের দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে টেনে বের করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে এবং ভবনটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু ১৩ এপ্রিল দৌলতপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ ১৮০–২০০ জন অজ্ঞাতকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দ্দার অভিযোগ করেন, হামলার সময় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সামনের সারিতে থাকলেও তাদের মামলায় আসামি করা হয়নি এবং রাজনৈতিক কারণে জামায়াত নেতাকে জড়ানো হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় কথিত পীর হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা ও আরেকজন কারাগারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।