কিশোর গ্যাং অপরাধ মোকাবিলায় আইন সংশোধনসহ বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা তৈরি করছে পুলিশ সদর দপ্তর। রাজধানীর অলিগলি, জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে সক্রিয় এসব গ্যাং ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে জড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আইনি সুরক্ষার অপব্যবহার, আবাসন সংকট ও রাজনৈতিক তদবিরে অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।
দেশে তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অনুমোদিত আসন ৬০০ হলেও সমাজসেবা অধিদপ্তরের হিসাবে সেখানে ১,০৬৪ জন রয়েছে। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচের ব্যক্তিকে শিশু ধরা হয় এবং গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু আদালতে হাজির করার বিধান রয়েছে। একই গ্যাংয়ে ১৭ বছর বয়সি সদস্যের সঙ্গে ১৮ বা তার বেশি বয়সিরা থাকায় ভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতাও তৈরি হয়।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে কঠোর বয়স যাচাই, দ্রুত ডিজিটাল যাচাইব্যবস্থা, গ্যাং-সংযোগ ও পুনরাবৃত্ত অপরাধের তথ্যভান্ডার এবং কিশোরদের ব্যবহারকারী প্রাপ্তবয়স্ক পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। সব জেলা থেকে হালনাগাদ গ্যাং তালিকা চাওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর পুলিশ মুখপাত্র এএইচএম শাহাদাত হোসাইন বলেন, নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করে অভিযান জোরদার করা হবে।
আবাসন সংকট ও তদবিরের মধ্যে কিশোর গ্যাং দমনে নতুন প্রস্তাব করছে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।