জাতীয় গ্রিডে সংযোগের জন্য সঞ্চালন পাইপলাইন না থাকায় দ্বীপজেলা ভোলার বিপুল গ্যাস মজুত দেশের কাজে পুরোপুরি ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জেলার নয়টি কূপ থেকে দিনে ১৮ দশমিক ৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সক্ষমতা থাকলেও স্থানীয় চাহিদা কম থাকায় সর্বোচ্চ ৭ থেকে সাড়ে ৭ কোটি ঘনফুট তোলা হচ্ছে। মাটির নিচে এখনো প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে উত্তোলনের উপযোগী হওয়া ভোলা নর্থ কূপে ৪৩ হাজার ৫০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে, কিন্তু সেখান থেকে এখনো উৎপাদন শুরু হয়নি। ২০২৩ সালে প্রস্তুত ভোলা-ইলিশা কূপেও ২০ হাজার কোটি ঘনফুট গ্যাস থাকলেও কোনো গ্যাস তোলা হচ্ছে না। শাহবাজপুর কূপে ৬৪ থেকে ৬৫ হাজার কোটি ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য গ্যাস অবশিষ্ট থাকলেও সম্ভাব্য দৈনিক অন্তত ১৫ কোটি ঘনফুটের বিপরীতে তোলা হচ্ছে ৭ থেকে সাড়ে ৭ কোটি ঘনফুট।
জিটিসিএল শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ থেকে বরিশালের লাহারহাট পর্যন্ত নদীর তলদেশ দিয়ে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণের প্রথম ধাপে কাজ করছে। পরে এটি গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনার শিল্পাঞ্চল ও প্রস্তাবিত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা। ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৯ সালের মধ্যে নেটওয়ার্ক শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে সিএনজি আকারে ট্রাকে কিছু গ্যাস ঢাকা, বরিশাল ও খুলনার কারখানায় পাঠানো হচ্ছে।
সঞ্চালন লাইন না থাকায় ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাচ্ছে না
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।